Ednoub Private Program

She Stoops to Conquer - Oliver Goldsmith - Summary in Bengali



She Stoops to Conquer - Oliver Goldsmith - Summary in Bangla
She Stoops to Conquer নাটকটির শুরুতে (Prologue) প্রস্তাবনায় আমরা জানতে পারি যে, একজন অভিনেতা চিরায়ত কৌতুকনাট্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে একটুখানি বিলাপ করে। অবশ্য পরে আবার দর্শকদের আশার বানী শোনায় যে, যেহেতু ড. ওলিভার গোলডস্মিথ যেহেতু বেচে আছেন সেহেতু তাদের চিন্তার কারন নেই। কারন তার কাছে অবশ্যই এর কোন না কোন সমাধান থাকবেই।
বলে রাখা ভালো যে, She Stoops to Conquer নাটকটি সর্বমোট ৫টি অঙ্কে বিভক্ত। প্রতিটি অঙ্কেই যথেস্ট তথ্য দেয়া হয়েছে।
প্রথম অঙ্কে আমরা দেখতে পাই হার্ডক্যাসেল মহাশয় একটি পুরনো বাড়িতে থাকেন যেটি দেখতে অনেকটা একটি সরাইখানার মত। আসলে হার্ডক্যাসেলের সবকিছু একটু পুরনো ধাচের পছন্দ। হোক সেটা পুরনো স্বভাব, জায়গা, বইপত্র এমনকি তার পুরোনো বুড়ি হয়ে যাওয়া বউটাও!!😂 হার্ডক্যাসেলের বাড়িটির একটা নামও আছে; নামটি হলো "Quagmire Marsh"। 
মি. হার্ডক্যাসেলের (Mr. Hardcastle) সাথে বাড়িতে থাকেন তার স্ত্রী মিসেস হার্ডক্যাসেল(Mrs. Hardcastle), তার কন্যা কেট আর তার স্ত্রীর আগের ঘরের সন্তান টনি লাম্পকিন(Tony Lumpkin) এবং তাদের ভাতিজী কনস্ট্যান্স নেভিল (Constance Neville)। 
তারা সবাই মি. হার্ডক্যাসেলের পুরনো বন্ধু স্যার চার্লস মার্লোর যুবক ছেলে Young Marlow এর  অপেক্ষায় ছিলেন। কারন মি. হার্ডক্যাসেল তার নিজের মেয়ে কেট এর সাথে সেই যুবক মার্লোর বিয়ে দিতে চান। 
আর অন্যদিকে মিসেস হার্ডক্যাসেল চান তাদের ছেলে টনি লাম্পকিন তার ভাগ্নি কনস্ট্যানস নেভিলকে বিয়ে করুক যাতে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নেভিলের সম্পত্তি নিজেদের মধ্যেই রয়ে যায়। তবে মিস নেভিল লন্ডনের এক যুবক হেস্টিংসকে(Hastings) ভালোবাসে আবার টনিরও নেভিলের বিষয়ে কোনো আগ্রহ নেই । আসলে টনি ভালোবাসে শহরতলির এক সুন্দরী মেয়েকে । সে অপেক্ষা করছে কবে প্রাপ্তবয়স্ক হবে আর স্বাধীনভাবে ইচ্ছামত জীবনযাপন করতে পারবে।
এদিকে তরুণ মার্লো নীচু শ্রেণির মেয়েদের সাথে সহজভাবে মিশলেও অভিজাত কিংবা উচুস্তরের নারীদের ব্যাপারে একেবারেই অন্যরকম। লজ্জা এবং জড়তার জন্যে তাদের সাথে ঠিকমত কথাই বলতে পারে না। খালি তোতলাতে তোতলাতেই দিন শেষ!😣 তাই বেচারা মার্লো তার নিজের বন্ধু হেস্টিংসকে নিয়ে পাত্রী দেখতে আসে । তবে ঝামেলা বাধে টনির বদমায়েশির জন্য! দেখুন এরপর কি হয়-
ভুল করে পথ হারিয়ে মার্লো আর হেস্টিংস ঘুরতে ঘুরতে এক পানশালায় এসে পৌছায় যেখানে সেই বজ্জাত টনির সাথে তাদের সাক্ষাৎ ঘটে । টনির পরিচয় সম্পর্কে একদমই অজ্ঞাত তরুণেরা রাতের বেলা আশ্রয় পাবার জন্যে কাছেপিঠে কোনো সরাইখানার জন্য সন্ধান জানতে চায় । টনি বেটা সরাইখানার নাম করে তাদের মি. হার্ডক্যাসেলেরই বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়! 
মহাখুশিতে মার্লো আর হেস্টিংস সরাইখানা ভেবে মি. হার্ডক্যাসেলের বাড়িতে এসে ওঠে এবং তাকেই সরাইমালিক ভেবে ভুল করে বসে। এদিকে মি. হার্ডক্যাসেল যুবক মার্লোর উদ্ধত ব্যবহার দেখে কিছুটা অবাক হয়। যদিও প্রথমত একে তারুণ্যের সহজাত ঔদ্ধত্য আর লন্ডন শহরের আচার ব্যবহারের ধরন বলে মনে করে।

ওদিকে মিস নেভিল হঠাৎ করেই তার প্রেমিক হেস্টিংসকে বাড়িতে দেখে আকাশ থেকে পড়ে!! যাহোক, নেভিলের সাথে কথা বলে হেস্টিংস জানতে পারে যে এটা কোনো সরাইখানা নয় বরং মি. হার্ডক্যাসেলেরই নিজ বাড়ি। অনেকটা ইচ্ছাকরেই কৌতুকবশত তারা যুবক মার্লোকে এসব জানায় না তবে মার্লোকে কেটের সাথে দেখা করার সুযোগ করে দেয়। কেটের সাথে দেখা করার সময় মার্লো ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু তার বিনয় ও ভদ্রতা কেটকে প্রভাবিত করে এবং সে মার্লোর প্রেমে পড়ে যায়। কেট জানতে পারে যে মার্লো তাদের বাড়িকে সরাইখানা ভেবে ভুল করেছে। এবার সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে মার্লোকে জয় করার জন্যই কেট তার অবস্থান থেকে নীচে নামে (এখানেই একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় লুকিয়ে আছে সেটা হলো নাটকটির নামই কিন্তু "She Stoops to Conquer" অর্থাৎ "সে অবস্থান থেকে নিচে নামে জয় করার জন্য" এবার বোঝো গেল তাহলে নাটকটির নামের Significance কি?) এবং কেটকে সরাইখানার সরবরাহকারী মেয়ে ভেবে মার্লো সহজভাবে তার সাথে কথা বলতে থাকে।

এই সুযোগে হেস্টিংস এবং মিস নেভিল পালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করে এবং হাড়বজ্জাত টনি লাম্পকিন এ বিষয়ে তাদের সাহায্য করে। পালানোর পরিকল্পনাসহ টনির কাছে লেখা হেস্টিংসের একটা চিঠি ভুলবশত মিসেস হার্ডক্যাসেলের হাতে পড়ে যায়। মিসেস হার্ডক্যাসেল সব জেনে নেভিলকে বাড়ি থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য সেই রাতেই বেরিয়ে পড়ে । টনি তাদের গন্তব্যে পৌছে দেবার নাম করে বাড়ির আশেপাশেই একটু চক্কর কাটে এবং শেষ পর্যন্ত বাড়িতেই ফিরে আসে যেখানে হেস্টিংস নেভিলকে সাথে নিয়ে পালানোর জন্য অপেক্ষা করছে। অন্ধকারে মিসেস হার্ডক্যাসেল একদম বুঝতেই পারে না যে নিজের বাড়িতেই ফিরে এসেছে টনির মাধ্যমে। 

তবে, মি. হার্ডক্যাসেলের কাছে সব রহস্য উদঘাটিত হয়। তাছাড়া মার্লোর বাবা স্যার চার্লস (Sir Charles Marlow) এসে পৌছে, তার সাথে কথা বলেও সব ভুল বোঝাবুঝি স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়। মার্লো বুঝতে পারে সে হার্ডক্যাসেলের বাড়িকেই সরাইখানা ভেবে বিশাল ভূল করেছে, বারমেইড মেয়েটা যে আসলে মিস হার্ডক্যাসেল বা "কেট" তাও বুঝতে পারে। 
অবাক করা ব্যাপার হলো- শেষ পর্যন্ত টনিও জানতে পারে যে সে অনেক আগেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছে কিন্তু এ সত্য তার কাছ থেকে গোপন করা হয়েছিল । টনি মিস নেভিলকে মুক্ত করে দেয় যাতে সে হেস্টিংসকে বিয়ে করতে পারে। কারণ এর ফলে সে নিজেও তার পছন্দের মেয়ের কাছে যেতে পারবে। এভাবেই শেষ হয় এক রাতের ভুল বোঝাবুঝি আর ঘটতে থাকা মজাদার সব ঘটনা... ।

“শি স্টুপস টু কংকার” নাটকটি অত্যন্ত উপভোগ্য, সহজবোধ্য এবং বাহুল্যবর্জিত । নাটকটির শুরুতেই পরবর্তীতে কী ঘটতে যাচ্ছে তার. ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যেমন শুরুতেই মিসেস হার্ডক্যাসেল বলে যে তাদের বাড়িটাকে দেখে সরাইখানা বলে মনে হয়। পরবর্তীতে সরাইখানা ভাবার কারণেই ওই বাড়িতে এত সব কাণ্ড ঘটে! ভাবা যায়!! 
অপর একটি জায়গায় মিস হার্ডক্যাসেল মানে কেট বলে যে মার্লোর সাথে প্রথম পরিচয়ের সময় সে তার মুখের দিকে ভালো করে তাকায়নি। আর এর ফলেই পরবর্তীতে মার্লো কেটকে বারমেইড ভেবে ভুল করে। 
এছাড়া প্রথম দৃশ্যেই বোঝা যায় যে টনি তার মা মিসেস হার্ডক্যাসেলের কারণেই বখাটে হয়ে গেছে, প্রথমেই মিসেস হার্ডক্যাসেলের মুখরা ও কুচক্রী রূপের সাথে পরিচয় ঘটে যায়। জানা যায় যে মিস নেভিল আসলে আগে থেকেই এনগেজড । 
টনির পানশালায় যাওয়া আর লন্ডন থেকে মার্লো আর হেস্টিংস এর আসাও নিতান্ত স্বাভাবিকভাবেই ঘটে যার সম্পর্কে পূর্ব ধারণার সুযোগ থাকে । 
দ্বিতীয় দৃশ্যে টনি স্বাধীন জীবন আর বেট বাউন্সার নামে শহরতলির একটি মেয়ের প্রতি তার ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে। তারপর তরুণ দুজন পানশালায় আসে এবং টনির দ্বারা বিপথগামী হয়। এভাবেই প্রথম অঙ্ক শেষ হয় যা পরবর্তীতে কী হতে যাচ্ছে তার অল্প ধারণা রেখে যায়।
দ্বিতীয় অঙ্কে মার্লোও হেস্টিংস হার্ডক্যাসেলের বাসাকেই সরাইখানা ভেবে সেখানে উপস্থিত হয়। কেট প্রথম পরিচয়ে মার্লোর উপর খানিকটা হতাশ হয়ে পড়ে অপরদিকে মিস নেভিল টনি লাম্পকিন এর সাথে বিয়ে হওয়া থেকে বাঁচার প্রয়াস চালায়। একটি দৃশ্যে দেখা যায় টনি পালিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে হেস্টিংসকে প্রতিশ্রুতি দেয় কারণ এর ফলে সে নিজেও মুক্তি পাবে আর বেট বাউন্সারকে বিয়ে করতে পারবে । এসব কিছুই পরবর্তীতে কাহিনির জট খোলার ব্যাপারে ইঙ্গিত দেয় যার শুরু হয় তৃতীয় অঙ্ক থেকে। মি. হার্ডক্যাসেল আর তার মেয়ে কেট, মার্লোকে নিয়ে আলোচনা করে। এরইমধ্যে কেট মার্লোর প্রেমে পড়ে যায় এবং তাকে সম্পূর্ণভাবে জানার জন্যে নিজের অবস্থান থেকে নীচে নামে। নিজেকে বারমেইড বলে পরিচয় দেয় । 
চতুর্থ অঙ্কে মার্লোর বাবা আসছে বলে জানা যায়। মার্লোও নিজের ভুল বুঝতে শুরু করে। হেস্টিংস আর নেভিলের পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায় তবে টনি এ ব্যাপারে নতুন পরিকল্পনা আটে যা শেষ অঙ্কে গিয়ে প্রকাশিত হয়। স্যার চার্লস মার্লো এবং হার্ডক্যাসেল পুরো বিষয়টাই একে অন্যের কাছে ব্যাখ্যা করে। কেট প্রকাশ করে যে সে আসলে কোন বারমেইড নয়। মার্লোর চরিত্র সম্পর্কে সকলের ভুল ধারণা দূর হয়ে যায়। কারণ, যুবক মার্লোকে ঝামেলায় প্রধানত ফেলেছিল সেই টনি লাম্পকিন এবং পরে তার নিজ বন্ধু হ্যাসটিংস। 
হেস্টিংস আর মিস নেভিলকে ক্ষমা করে দেওয়া হয় এবং টনি যে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেছে তা প্রকাশ করা হয়। নাটকটি শেষ হয় টনিকে দিয়েই যে নিজের ইচ্ছেমতো বেট বাউন্সারকে (Bet Bouncer) বিয়ে করার এবং নিজের জীবন স্বাধীনভাবে কাটানোর সুযোগ পেয়ে যায়। 
নাটকের শেষে দুটো Epilogue কিংবা উপসংহার যুক্ত হয়। একটিতে কেট এর হয়ে ড. গোল্ডস্মিথ কথা বলেন আর অন্যটিতে টনি লাম্পকিনের হয়ে গোল্ডস্মিথের বন্ধু জোসেফ ক্যাডক কথা বলেন। কেটরুপি ড. গোল্ডস্মিথ নাটকের ৫টি পর্বে তার নিজের অভিনয় সংক্রান্ত কথা বলেন। আর টনিরুপি জোসেফ লন্ডনে বেট বাউন্সারের সাথে তার ভবিষ্যতের লন্ডনের সুখের জীবন নিয়ে কথা বলেন। তো এভাবেই শেষ হয় নাটকটি। 
EDNOUB is the best helpline for the learners of English Language & Literature. It’s an international helpline by EDNOUB [www.facebook.com/groups/EDNOUB]. Enrich your skills on English keep visiting our blog regularly. Stay with us. Thanks a lot.

Post a Comment

0 Comments